Latest Post





ব্লুটুথ কি?


ব্লুটুথ হল ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতির মধ্যে সংযোগ সাধনের একটি আধুনিক পদ্ধতি। এটি তারহীন এবং স্বয়ংক্রিয়। ৯০০ খ্রীস্টাব্দের পরবর্তী সময়ের ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নামানুসারে এই প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে।
যখন একাধিক যন্ত্রাংশ-এর মধ্যে সংযোগ সাধনের প্রয়োজন হয় তখন উহাদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের পূর্বে বেশ কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত হতে হয়। প্রথম বিষয়টি হল বস্তুগত-যা নিশ্চিত করে যে যন্ত্রাংশ গুলো তার-এর মাধ্যমে নাকি বিনা তারে যোগাযোগ সাধন করবে।আবার তার ব্যবহৃত হলে কতগুলো প্রয়োজন তা-ও জানা প্রয়োজন। বস্তুগত ব্যাপারটি নিশ্চিত হবার পরে আরও বেশ কয়েকটি প্রশ্ন এসে হাজির হয়। সেগুলো হল-কতগুলো তথ্য একত্রে প্রেরিত হবে, অর্থাৎ ১বিট নাকি একাধিক বিট? আবার এটাও নিশ্চিত হতে হয় যে,ঠিক যেই তথ্য পাঠানো হয়েছে ঠিক সেই তথ্যই গৃহিত হবে কিনা।অর্থাৎ সঠিক তথ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা প্রয়োজন। ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে রেডিও ফ্রিকোয়ান্সির মাধ্যমে সংযোগ সাধন করা এবং সঠিক তথ্য প্রাপ্তী নিশ্চিত হয়।

ব্লুটুথ যেভাবে কাজ করে?
ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে কম ক্ষমতা বিশিষ্ট বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো হয়। এই যোগাযোগ ব্যাবস্থায় ২.৪৫ গিগাহার্‌্তজ (প্রকৃতপক্ষে ২.৪০২ থেকে ২.৪৮০ গিগাহার্ট্‌জ-এর মধ্যে )-এর কম্পাংক ব্যাবহৃত হয়। শিল্প, বিজ্ঞান এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাবহৃত যন্ত্রের জন্য উপরিউক্ত কম্পাংকের সীমাটি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।এখন প্রশ্ন হল যে ব্লুটুথ অন্যান্য তরঙ্গ নির্ভর যন্ত্রের কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করে কিনা?উত্তর হল “নাâ€। কারণ ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা থাকে মাত্র ১ মিলিওয়াট, যেখানে সেল ফোন ৩ ওয়াট পর্যন্ত সিগন্যাল প্রেরণ করে।অর্থাৎ ব্লুটুথের নিম্ন ক্ষমতার সিগন্যাল উচ্চ ক্ষমতার সিগন্যালে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে না।ব্লুটুথ একসাথে ৮টি যন্ত্রের মধ্যে যোগাযোগ সাধন করতে পারে।তবে প্রত্যেকটি যন্ত্রকে ১০ মিটার ব্যাসার্ধের একই বৃত্তের মধ্যে অবস্থিত হতে হয়, কারণ ব্লুটুথ প্রযুক্তি চারিদিকে সর্বোচ্চ ১০ মিটার পর্যন্ত ক্রিয়াশীল থাকে।

এখন প্রশ্ন হল কোনো device কি data গ্রহনে বাধাপ্রাপ্ত হবে?উদাহারনের সাহয্য নিচ্ছি !ধরুন A,B,C ও D চারটি যন্ত্র।এখন প্রশ্ন হল , A যন্ত্রের সাথে B যন্ত্রের যোগাযোগের সময় কাছাকাছি অবস্থিত অপর দুটি যন্ত্র C ও D-এর মধ্যের ব্লুটুথ যোগাযোগ ব্যাবস্থা বাধাগ্রস্থ হয় কিনা?(কেননা দুই যন্ত্রযুগলই একই কম্পাঙ্কের ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যাবহার করছে)উত্তর হল “নাâ€। কারণ এই সমস্যা সমাধানের জন্য ব্লুটুথ একটি পদ্ধতি ব্যাবহার করে যা কিনা “spread-spectrum frequency hopping†নামে পরিচিত।এই পদ্ধতিতে একই সময়ে একাধিক যন্ত্রযুগল একই কম্পাঙ্ক ব্যাবহার করে না।ফলে একে অপরের যোগাযোগ ব্যাবস্থাতে বাধার সৃষ্টি করে না।
এ পদ্ধতিতে কোন একটা যন্ত্র নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে অবস্থিত কম্পাঙ্ক হতে ৭৯ টি পৃথক পৃথক কম্পাঙ্ক randomly গ্রহণ করে ও একের পর এক পরিবর্তন করে। ব্লুটুথের ক্ষেত্রে, ট্রান্সমিটার প্রতি সেকেন্ডে ১৬০০ বার কম্পাঙ্ক পরিবর্তন করে।ফলে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন যন্ত্রযুগলের মধ্যে একই সময়ে একই কম্পাঙ্ক-এর তথ্য প্রেরণ অসম্ভব বললেই চলে।
আমরা কিন্তু এইগুলো না যেনেই অনায়েসে data আদান-প্রদান করি , কিন্তু দেখলেন কতটা ধাপ ও কাজ করে অই bluetooth device আমাদের তথ্য বিনা বাধায় দিয়ে দেয়।
hat is Bluetooth? ব্লুটুথ কি?
Bluetooth ক্ষুদ্র পাল্লার জন্য প্রণীত একটি wireless protocol. এটি ১-১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে wireless যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। Bluetooth এর কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ব্লুটুথ ২.৪৫ গিগাহার্টজ-এ কাজ করে। ৯০০ খ্রীস্টাব্দের পরবর্তী সময়ের ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নামানুসারে এই প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে। ব্লুটুথ ১.০-এর তথ্য আদান-প্রদান-এর সর্বোচ্চ গতি ছিল সেকেন্ডে ১ মেগাবিট। বর্তমানে ব্লুটুথ ২.০-এর সর্বোচ্চ গতি হল সেকেন্ডে ৩ মেগাবিট।
ব্লুটুথ প্রোটোকল বাস্তবায়নকারী যন্ত্রাংশ বা ডিভাইসগুলি দ্বিমুখী সংযোগ স্থাপন করে কাজ করে। বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। এই প্রযুক্তিতে খুব কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। এটি ক্ষুদ্র পাল্লার বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।
কিভাবে কাজ করে
ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে কম ক্ষমতা বিশিষ্ট বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো হয়। এই যোগাযোগ ব্যাবস্থায় ২.৪৫ গিগাহার্ট্‌জ (প্রকৃতপক্ষে ২.৪০২ থেকে ২.৪৮০ গিগাহার্ট্‌জ-এর মধ্যে)-এর কম্পাংক ব্যাবহৃত হয়। শিল্প, বিজ্ঞান এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাবহৃত যন্ত্রের জন্য উপরিউক্ত কম্পাংকের সীমাটি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল যে ব্লুটুথ অন্যান্য তরঙ্গ নির্ভর যন্ত্রের কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করে কিনা? উত্তর হল "না”। কারণ ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা থাকে মাত্র ১ মিলিওয়াট, যেখানে সেল ফোন ৩ ওয়াট পর্যন্ত সিগন্যাল প্রেরণ করে। অর্থাৎ ব্লুটুথের নিম্ন ক্ষমতার সিগন্যাল উচ্চ ক্ষমতার সিগন্যালে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে না।
ব্লুটুথ একসাথে ৮টি যন্ত্রের মধ্যে যোগাযোগ সাধন করতে পারে।তবে প্রত্যেকটি যন্ত্রকে ১০ মিটার ব্যাসার্ধের একই বৃত্তের মধ্যে অবস্থিত হতে হয়, কারণ ব্লুটুথ প্রযুক্তি চারিদিকে সর্বোচ্চ ১০ মিটার পর্যন্ত ক্রিয়াশীল থাকে।এখন প্রশ্ন যে, A যন্ত্রের সাথে B যন্ত্রের যোগাযোগের সময় কাছাকাছি অবস্থিত অপর দুটি যন্ত্র C ও D-এর মধ্যের ব্লুটুথ যোগাযোগ ব্যাবস্থা বাধাগ্রস্থ হয় কিনা?(কেননা দুই যন্ত্রযুগলই একই কম্পাঙ্কের ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যাবহার করছে) উত্তর হল "না”। কারণ এই সমস্যা সমাধানের জন্য ব্লুটুথ একটি পদ্ধতি ব্যাবহার করে যা কিনা "spread-spectrum frequency hopping” নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে একই সময়ে একাধিক যন্ত্রযুগল একই কম্পাঙ্ক ব্যাবহার করে না।ফলে একে অপরের যোগাযোগ ব্যাবস্থাতে বাধার সৃষ্টি করে না। এ পদ্ধতিতে কোন একটা যন্ত্র নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে অবস্থিত কম্পাঙ্ক হতে ৭৯ টি পৃথক পৃথক কম্পাঙ্ক এলোমেলোভাবে গ্রহণ করে ও একের পর এক পরিবর্তন করে। ব্লুটুথের ক্ষেত্রে, ট্রান্সমিটার প্রতি সেকেন্ডে ১৬০০ বার কম্পাঙ্ক পরিবর্তন করে।ফলে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন যন্ত্রযুগলের মধ্যে একই সময়ে একই কম্পাঙ্ক-এর তথ্য প্রেরণ অসম্ভব বললেই চলে।
Class সর্বোচ্চ অনুমোদিত হ্মমতা সীমা
(আনুমানিক)
Miliwatt Decible
প্রথম শ্রেণী ১০০ mW ২০ dBm ~১০০ মিটার
দ্বিতীয় শ্রেণী ২.৫ mW ৪ dBm ~১০ মিটার
তৃতীয় শ্রেণী ১ mW ০ dBm ~১ মিটার
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শ্রেণীর ডিভাইসের কার্যকরী সীমা সর্বাপেক্ষা ঘটনেতে প্রসারিত করা হয় যদি তারা প্রথম শ্রেণীর transceiver তে সংযোগ করে, একটি নিখাদ দ্বিতীয় শ্রেণীর নেটওয়ার্কে তুলনা করেছে। এটি উচ্চতর সুবেদিতার দ্বারা সম্পন্ন করা হয় এবং প্রথম শ্রেণীর ডিভাইসের প্রেরণ অধিকারী।
সংষ্করণ তথ্য প্রেরনের হার
সংষ্করণ ১.২ ১ Mbit/s



সংষ্করণ ২.০ + EDR ৩ Mbit/s

সূত্র-ইন্টারনেট


= দিনে বাতি যার ঘরে,
তার ঘরে ঘু ঘু চরে
Waste not, want not.
..
= ধর্মের কল বাতাসে
নড়ে
Virtue proclaims itself.
..
= নাচতে না জানলে
উঠান বাঁকা
A bad workman
quarrels with his tools.
..
= পুরানো চাল ভাতে
বাড়ে
All that is old is not bad.
..
= ভিক্ষার চাল কাঁড়া
আর আকাঁড়া
Beggars must not be
choosers.
..
= মারের মতন ঔষধ
আর নাই
There is no argument
like that of the stick.
..
= যতক্ষণ শ্বাস
ততক্ষণ আশ
While there is life, there


is hope.
..
= কপালের লিখন না
যায় খণ্ডন
What is lotted cannot
be blotted.
..
= মানুষ মাত্রই ভূল
To err is human.










নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু ইংরেজী
শব্দার্থঃ-


✲ তেঁতুল - Tamarind.
✲ পিঁয়াজ - Onion.
✲ রসুন - Garlic.
✲ শুকনা মরিচ - Red chili.
✲ হলুদ - Turmeric.
✲ ধনিয়া - Coriander.
✲ কালিজিরা - Nigella.
✲ শা জিরা - Caraway(black cumin).
✲ পোস্তা দানা - Poppy seed.
✲ তিল - Sesame seed.
✲ এলাচি - Cardamom.
✲ আদা - Ginger.
✲ কাঁচা মরিচ - Green chili.
✲ জিরা - Cumin seed.
✲ মেথি - Fenugreek.
✲ মৌরি - Aniseed.
✲ সরিষা - Mustard.
✲ তেজ পাতা - Bay leaf.
✲ ধনে পাতা - Coriander leaf.
✲ পুদিনা পাতা - Mint leaf.
✲ দারচিনি - Cinnamon.
✲ লবঙ্গ - Cloves.
✲ গোল মরিচ - Black pepper.
✲ সাদা মরিচ - White pepper.
✲ জয়ফল - Nutmeg.
✲ যৈত্রী - Mace.
✲ কাবাব চিনি - Allspice.





✬ স্বর্ণ : সোনা, কাঞ্চন, কনক, হেম, হিরণ্য, মহাধাতু, গোল্ড। 
✬ সমুদ্র : সাগর, সায়ব, অর্ণব, সিন্ধু, দরিয়া, জলধি, পাথার, পারাবার, প্রচেতা, অকূল, জলধর, নদীকান্ত, নীরধি, তোয়াধি, পয়োধি, বারিধর, বারীন্দ্র, ইরাবান, দ্বীপী। ✬ সম : সমান, তুল্য, সদৃশ, যুদ্ন, অনুরূপ। 
✬ দিন : দিবস, দিবা, অহ, বার, রোজ, বাসর, দিনরাত্রি, দিনরজনী, সাবন, অষ্টপ্রহর, আটপ্রহর। 
✬ ধরা : পৃথিবী, ধারণ করা, হাত দেয়া, ছোঁয়া, স্পশর্, ধরণি, ধরিত্রী, পাকড়ানো।
✬ কবুতর : পারাবত, কপোত, পায়রা, নোটন, লোটন, প্রাসাদকুক্কুট। 
✬ দক্ষ : নিপুণ, পটু, পারদশী, কর্মঠ, সুনিপুন, কামিল। 
✬ রাত্রি : রাত, রাত্তির, নিশি, নিশীথ, রাত, রজনী, যামিনী, যামী, যামিকা, শমনী, বিভাবরী, ক্ষণদা, নক্ত, তামসী, অসুরা। 
✬ নিদ্রা : ঘুম, তন্দ্রা, নিদ, সুপ্তি, গাঢ়ঘুম, নিষুপ্তি। ✬ ছাত্র : শিষ্য, শিক্ষানবিশ, পড়ুয়া। 
✬ জটিল : জড়ানো, কঠিন, শক্ত, খটমট, জটাযুক্ত







এএসসির পরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা হতে পারে আপনার ক্যারিয়ারের অন্যতম মাধ্যম..
বর্তমানে এই প্রতিযোগিতা পূর্ণ বিশ্বে যোগ্য ও কর্মদক্ষ হয়ে গড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত। ধরা হয়ে থাকে, এসএসসি পাসের মধ্য দিয়ে সূচনা হয় শিক্ষা জীবনের দিক নির্ধারণ করার সঠিক সময়। ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার গুরুত্ব সময়ের চাহিদা অনুযায়ী অত্যাবশ্যকীয়, কেনোনা বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে সাধারণ শিক্ষার তুলনায় কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিতরা প্রতিযোগিতামূলক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকে।
ক্যারিয়ার হিসেবে কর্মমূখী/কারিগরি শিক্ষা বেছে নেয়াটা বর্তমানে খুবই নির্ভরযোগ্য একটি সিদ্ধান্ত। বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তিগত এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারায় কর্মমূখী/কারিগরি শিক্ষার কর্মপরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত। ফলে পেশা হিসেবে কর্মমূখী/কারিগরি শিক্ষা খুবই সমাদৃত এবং ব্যাপক চাহিদা সম্পন্ন হয়ে উঠেছে।
বর্তমান বিশ্বে চাকরির বাজার এখন এতটাই প্রতিদ্বন্ধিতাপূর্ণ যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি গ্রহণ করেও চাকরির নিশ্চয়তা পাওয়া দুস্কর হয়ে পড়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনার শেষে একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী তার ক্যারিয়ার শুরু করেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে। সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ছাড়াও অসংখ্য দেশি ও বিদেশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ রয়েছে এই সেক্টরে।
কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে আপনাকে পড়তে হবে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটগুলোতে। দেশে সরকারি এবং বেসরকারি বিপুলসংখ্যক পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসব প্রতিষ্ঠান চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সগুলো পরিচালনা করে থাকে। দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। এছাড়াও প্রত্যেক জেলাতেই বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। দেশে এখন সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সংখ্যা ৪৯টি। আর বেসরকারি পলিটেকনিকের সংখ্যা কয়েক হাজারেরও অধিক। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ছাত্রছাত্রী কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার আগে অবশ্যই ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে নেবেন।
অন্তর্ভুক্ত কোর্সগুলো-
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পড়াশোনা করানো হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হল- সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স, কম্পিউটার সাইন্স, ইলেকট্রোমেডিক্যাল, পাওয়ার, অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। এছাড়া মেরিন, গ্লাস অ্যান্ড সিরামিকস, কেমিক্যাল, টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গার্মেন্টস অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং, আর্কিটেকচার, ফুড টেকনোলজি, এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রভৃতি বিষয়ের ওপর পড়াশোনা করানো হয়। সেমিস্টারভিত্তিক এ পড়াশোনা করে বেকার হয়ে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
ভর্তির যোগ্যতা-





¤ সূর্য উদয়ের দেশ=জাপান।
¤ নিশীত সূর্যের দেশ=নরওয়ে।
¤ নীলনদের দেশ=মিশর।
¤ পবিত্র পাহাড়=ফুজিয়ামা।
¤ জাকজমকের নগরী=নিউইয়র্ক।
¤ পবিত্র ভূমি=জেরুজালেম।
¤ আগুনের দ্বীপ=আইসল্যান্ড।
¤ হাজার দ্বীপের দেশ=ফিনল্যান্ড।
¤ প্রাচ্যের ভেনিস=ব্যাংকক।
¤ প্রাচীরের দেশ=চীন।
¤ পিরামিডের দেশ=মিশর।
¤ পাকিস্তানের প্রবেশ দ্বার=করাচি।
¤ রিক্সার নগরী=ঢাকা।
¤ মরুভূমির দেশ=আফ্রিকা।
¤ মার্বেলের দ্বীপ=ইটালী।
¤ শান্ত সকালের দেশ= কোরিয়া।
¤ রৌপ্যের শহর=আলজিয়ার্স।
¤ সোনালি আঁশের দেশ=বাংলাদেশ।
¤ সম্মেলনের নগরী=জেনেভা।
¤ সোনালি তোরনের দেশ=সানফ্রান্সিসকো।
¤ সাত পাহাড়ের দেশ=রোম।
¤ স্বর্ণ নগরী=জোহান্সবার্গ।
¤ পৃথিবীর ছাদ=পামির মালভূমি।
¤ বজ্রপাতের দেশ=ভুটান।
¤ ভূমিকম্পের দেশ=জাপান।
¤ বাতাসের শহর=শিকাগো।
¤ বাংলার ভেনিস=বরিশাল।
¤ ভূ-স্বর্গ=কাশ্মীর।
¤ বাংলাদেশের প্রবেশ দ্বার=চট্টগ্রাম।
¤ পৃথিবীর ব-দ্বীপ=বাংলাদেশ।
¤ আফ্রিকার সিং=ইথিওপিয়া।




Author Name

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.